Breaking News

হা;রিয়ে যাওয়ার ২৩ বছর পর দেশে ফির;লেন বৃ;দ্ধা আমেনা

প্রায় দুই যুগ আগে নি;রুদ্দে;শ হওয়া আমেনা খাতুন (৮০) ফিরে আসলেন তার পরিবারের কাছে। আমে;না খাতুন বগুড়ার ধুনট উপজেলার চিকাশি ইউনিয়নের ছোট চাপড়া গ্রামের মৃত আজগর প্রামা;ণিকের স্ত্রী। সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) নেপালের কাঠমা;ন্ডুতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূ;তাবাসের ত;ত্ত্বাবধানে এক;টি বিশেষ বিমানে নেপাল থেকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয় আমেনা খা;তুনকে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জা;তিক বিমানবন্দরে নেপালে বাংলাদেশ দূতা;বাসের কাউন্সিলর মো. মাসুদ আ;লম আমেনা খাতুনকে তার তিন ছেলেসহ নাতিদের কাছে হস্তান্তর করেন। কনস্যুলার মা;সুদ আলম বলেন, বেলা একটার দিকে ভাড়া করা বিশেষ বিমানে তিনি আমেনা খা;তুনকে নিয়ে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। এর আগে সোমবার সকালে কাঠমান্ডু ত্রি;ভুবন বিমান বন্দরে আমেনা খাতুনকে বিদায়ী অভ্যর্থনা জানান রাষ্ট্রদূত সালাহউ;দ্দিন নো;মান চৌধুরী ।

নেপালে বাংলাদেশ দূতা;বাসের কন;স্যুলার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ১ সেপ্টেম্বর এ;কটি চিঠি পাঠান। ওই চিঠি থেকে জানা যায়, আমেনার বয়স এখন ৮০ বছর। নেপালের কাঠ;মাণ্ডু থেকে প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার দূরে সুন;সারি জেলায় প্রায় তিন মাস আগে তাঁর স;ন্ধান মেলে। পরে নেপালে বাংলাদেশের দূতা;বাস তাঁকে উ;দ্ধার করে দেশে ফেরানোর উ;দ্যোগ নেয়। এরই ধারাবা;হিকতায় আজ তিনি দেশের মাটি স্পর্শ করলেন।

আ;মেনার স্বামী মৃত আজ;গর আলী প্রামাণিক পেশায় কাঠমিস্ত্রি ছিলেন। তাঁর তিন ছেলে ও এক মেয়ে। বড় ছেলে আমজাদ হোসেনের বয়স ৬০ বছর, মেজ ছেলে ফ;টিক হোসেনের বয়স ৫৮ বছর, ছোট ছেলে ফরা;জুল হোসেনের বয়স ৫৪ বছর ও ছোট মেয়ে আম্বি;য়া খাতুনের বয়স ৪৫ বছর।

আমেনা খাতুনের বড় ছেলে আ;মজাদ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘তিন মাস আগে সর;কারের একটি গো;য়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের মাধ্যমে জানতে পারি, নেপালে আমা;দের মাকে পাওয়া গেছে। এরপর আমরা তাঁকে স;রকারি খরচে দেশে ফে;রানোর জন্য আবেদন করি। নেপালে বাংলাদে;শের দূতাবাস তাঁকে দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নেয়। কিন্তু করোনা ও লকডাউনের কারণে মায়ের দেশে ফেরা দেরি হয়। ইতিমধ্যে নেপা;লে বাংলাদেশি দূ;তাবাসের সহ;যোগিতায় মুঠোফো;নে ভিডিও কলে মায়ের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। তিনি আমা;দের চিনতে পেরেছেন। আম;রাও তাঁকে চিনেছি।’

মাকে আনতে তাঁরা চার ভা;ইবোন ও স্বজনেরা মাই;ক্রোবাস ভাড়া করে ঢাকায় এসেছেন। যে মা সবার কাছে মৃ;ত হয়ে গিয়েছিলেন, সেই মাকে এত বছর পর ফিরে পা;ওয়ার আনন্দ-অ;নুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়, বল;লেন তিনি।

কাঠমান্ডুতে অবস্থিত বাংলা;দেশ দূতাবাসের কনস্যুলার মো. মাসুদ আলমের ইস্যু করা চিঠির সূত্রে জা;না গেছে, এ বছরের ৩০ মে নেপালে বাংলাদেশি দূতাবাস আমেনা খাতুনের সন্ধান পায়। তিনি নেপালের সুনসারি জেলার ইনারোয়া শহরে বাসা;বাড়ি ও হোটেলে কাজ করতেন। বা;র্ধক্যের কারণে তিনি কা;জ করতে না পেরে রাস্তাঘাট ও ফুটপা;তে অবস্থান করছিলেন।

পরে ইনারোয়া পৌরস;ভার কর্মীরা তাঁকে উ;দ্ধার করে সুনসারি জেলা প্রশাসনের সেফ হাউ;সে রাখেন। নেপালের এক ব্য;ক্তি তাঁর ফেসবুকে বিষয়টি পো;স্ট করেন। ওই পোস্টে তিনি আমেনাকে বাংলা;দেশি বলে উল্লেখ করেন। পোস্টটির ক;মেন্টে নেপালে বাংলাদেশ ইয়ুথ কনক্লেভের চেয়ারম্যান অ;ভিনাভ চৌধুরী বাংলাদেশ দূ;তাবাসের কন;স্যুলারের দৃষ্টি আ;কর্ষণ করেন। এরপর বাংলাদেশের একটি গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগি;তায় বগুড়ার ধুনটে তাঁর পরিবা;রের খোঁজ মেলে।

আমেনা খাতুনকে দেশে আনতে বিমানভাড়াসহ যাবতীয় খরচ বহন করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কনস্যুলার মাসুদ বলেন, আমরা সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অসহায় মানুষের সেবা করতে পেরে আনন্দ পাই। মানুষতো মানুষেরই জন্য।

About admin

Check Also

নিজের সব;চেয়ে দামি জা;য়গায় মসজিদ, মাদ;রাসা বানি;য়ে দিয়েছেন রফিক

বাংলাদেশ ক্রিকে;টে অন্যতম সেরা স্পিনার মোহাম্মদ রফিক। প্রায় এক যুগ আগেই ক্রি;কেটকে বিদা বলে দিয়েছেন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *