আব্দুল্লাহ ছাড়া বেঁ;চে রইলো না কেউই

মা-বাবা ও ভাইয়ের সঙ্গে শিশু আব্দুল্লাহ গিয়েছিল আত্মীয়বাড়ি বেড়াতে। দিনশেষে একই মোটরসাইকেল যোগে বাড়ি ফেরার পথে লেভেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ট্রেনে কা;টা পড়ে মা;রা যায় মা-বাবা ও ছোট ভাই। এ সময় বেঁচে যায় শিশু আব্দুল্লাহ।
শুক্রবার (২২ অক্টোবর) রাতে এমনই মর্মা;ন্তিক ঘটনা ঘটেছে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হাতিলা এলাকায়। এতে একই পরিবারে শিশু আব্দুল্লাহ ছাড়া কেউ বেঁচে নেই । ট্রেনে কাটা পড়ে প্রা;ণ হা;রায় শিশু আব্দুল্লাহ বাবা আজগর আলী, মা সারামণি ও ছোট ভাই আব্দুর র;হমান আইয়ান।

দুর্ঘটনায় আব্দুল্লাহ আহত হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎ;সা দেওয়া হয়। তারা টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করো;টিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় বসবাস করতেন। তাদের গ্রামের বাড়ি জেলার বাসাইল উপজেলার ময়থা গ্রামে।

শনিবার সকালে নি;হত আজগর আলীর গ্রামের বাড়ি বাসাইল উপজেলার ময়থা গ্রামে তিনজনের দা;ফন সম্পন্ন করেন স্বজনরা। এ সময় স্বজনদের আ;হাজারিতে সেখানকার পরি;বেশ ভারী হয়ে ওঠে।

নি;হতের স্বজনরা জানায়, আজগর আলী একজন প্রবাসী। তিনি বাড়িতে আসার পর পরিবার নিয়ে মো;টরসাইকেল যোগে নানার বাড়িতে তার দুই শি;শুসহ স্ত্রীকে নিয়ে বেড়া;তে যান। সারাদিন ঘুরে ফিরে সন্ধ্যা;র দিকে বাড়ি ফেরার পথে ঢাকা-উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণাঞ্চল রেললাইনের টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হাতিলা অ;রক্ষিত লেভেলক্রসিং পার হওয়ার সময় মোট;রসাইকেল হঠাৎ করে ব;ন্ধ হয়ে যায়।

এ সময় লেভেলক্রসিংয়ের আশপাশ বন জঙ্গলে ঢেকে যাওয়ায় ট্রেন চলা;চল দেখা যায় না। এতে ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলে আ;জগর আলীর স্ত্রী সারামনি ও ছোট ছেলে আব্দুর রহমান আইয়ান নিহত হয়। এতে গুরুতর আহত হয় আ;জগর ও বড় ছেলে আ;ব্দুল্লাহ।

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধা;র করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। এতে শিশু আব্দু;ল্লাহকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হলেও আজগর আলীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রে;রণ করা হয়। পরে ঢাকায় যাওয়ার পথে তার মৃ;ত্যু হয়।

আজগর আলীর উকিল শ্বশুর আশ;রাফ আলী বলেন, ট্রেন দুর্ঘ;টনায় একই পরিবারের চারজনের মধ্যে তিনজনই মা;রা গেছেন। বেঁচে রয়েছে শুধু শিশু আব্দু;ল্লাহ। শনিবার সকালে তিনজনের ম;রদেহ তাদের গ্রামের বাড়িতে দা;ফন করা হয়েছে। এখন শিশু আব্দুল্লাহ তার দাদা-দা;দির কাছে রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *