খালাতো ভাই-বোনের প্রেম, হলো ক;রুণ পরিণতি

খালাতো ভাই-বোনের প্রেম দীর্ঘদিনের। একে-অপরের কাছে আ;সতে চান। তবে বাধা হয়ে দাঁড়ায় পরিবার। তবু বসে ছিলেন না প্রেমিক। প্রেমিকাকে কাছে পেতে দ্বারস্থ হন ম;সজিদের ইমামের। ইমামও দুজনকে এক করে দেবেন বলে তা;বিজ দেন। কি;ন্তু কোনো লাভ হয়নি। তাই ভালোবাসার মানুষকে কাছে না পেয়ে ফে;সবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আ;ত্মহ;ত্যা করেন প্রেমিক।

ঘটনাটি ঘটেছে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার পশ্চিমভাগ গ্রামে। ২৪ বছর বয়সী প্রে;মিকের নাম ইজাজুল তালুকদার। তিনি একই গ্রামের ইব্রাহিম তালুকদারের ছেলে ও হবিগঞ্জ সরকারি বৃন্দাবন কলে;জের শিক্ষার্থী। ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার বিকেলে ইজাজুলের লা;শ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলি;শ। তবে এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

শিবপাশা পু;লিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গোলাম কিবরিয়া হাসান জানান, দীর্ঘদিন ধরে খালাতো বোনের সঙ্গে ইজাজুলের প্রে;ম চলছিল। দুজনে একে-অপরকে কাছে পেতে চা;ইলেও মেনে নেয়নি তরুণীর পরিবার। তাই খালাতো বোনকে কাছে পেতে পশ্চিমভাগ গ্রামের কদমতারা মাস্টারবাড়ি জামে মসজিদের ইমা;ম মাওলানা হুমায়ুন কবিরের দ্বা;রস্থ হন ইজাজুল।

প্রেমিক-প্রেমিকা যেন এক হতে পারেন সেজন্য তাবি;জ দেন মাওলানা হুমায়ুন। কিন্তু এতে কোনো কাজ হয়নি। শেষে অ;তিষ্ঠ হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে স্ট্যাটাস দিয়ে বিষপান করেন ইজাজুল। পরে তাকে উ;দ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিলে রাতেই তিনি মা;রা যান। গোলাম কিবরিয়া আরো জানান, এর আগেও কয়েকবার আ;ত্মহত্যা;র চেষ্টা করেন ইজাজুল। এ নিয়ে আদালতে তার বাবা ইব্রাহিম তালুকদার মা;মলাও করেছিলেন। পরে সেই মামলায় জামিনে রয়েছেন ওই মসজিদের ইমাম।

বিষয়টি অ;স্বী;কার করে মাওলানা হুমায়ুন কবির বলেন, তারা নিজেরাই আমার কাছে ওই মেয়েকে তা;বিজ করতে এসেছিলেন। আমি তাবিজ করে না দেওয়ায় ক্ষি;প্ত হয়ে আমার ওপর এ অ;ভিযোগ আনেন তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.