দ্বিতীয় স্বা;মীকে মা;মলায় ফাঁ;সিয়ে কুমারী পরিচয়ে স্ত্রীর তৃ;তীয় বিয়ে

বরগুনার তালতলীতে দ্বিতীয় স্বা;মীকে মামলায় ফাঁ;সিয়ে জেলে পাঠিয়ে গোপনে তৃতীয় বি;য়ে করেছেন এক নারী। বিষয়টি জানাজানি হলে দ্বিতীয় স্বা;মীকে তা;লাক দিয়ে ফের তৃতীয় স্বামীর স;ঙ্গে বিয়ের কাবিন করেন ওই নারী। এমনই অ;ভিযোগ করেছেন দ্বিতীয় স্বামী জসিম।
ঘটনাটি বরগুনার তালতলীর। ভুক্ত;ভোগী জসিম তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের তাঁতিপাড়া গ্রামের বাবুলের ছেলে। ২০১৯ সালের ১৮ নভেম্বর তার সঙ্গে প্রতি;বেশী ওই নারীর বিয়ে হয়। বিয়ের ১২ দিনের মাথায় প্রথম স্ত্রীর কাছে চলে যান জ;সিম। এ নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে তার মনো;মালিন্য হয়।

গত বছরের ১ জানুয়ারি স্বামী জসিম জানতে পারেন, তাকে তা;লাক না দিয়েই পার্শ্ববর্তী কালাপাড়া উপজেলার এক ব্যক্তির সঙ্গে সংসার করছেন দ্বিতীয় স্ত্রী। ওই ঠি;কানায় স্থানীয় ইউপি সদস্যদের নিয়ে গেলে বিয়ের বিষয়টি স্বী;কার করেন তারা। পরদিন ২ জানুয়ারি স্থানীয় চেয়ার;ম্যানের কাছে তাদের বিয়ের কাবি;ননামা দেখানোর কথা বলে ওই রাতেই তারা এলাকা ছে;ড়ে পালিয়ে যান।

এরপর বরগুনা জেলা আদালতে স্বামী জসি;মের বিরুদ্ধে খোর;পোশ বাবদ মা;মলা করেন ওই নারী। ওই মামলায় স্বামী জসিম তিন মাস কা;রাভোগ করেন। সম্প্রতি কা;রামুক্তি পাওয়া জসিম ভাষ্য, ওই নারীকে দ্বি;তীয় বিয়ে করার পর তিনি বুঝতে পারেন যে তার স্ত্রীর বিবা;হবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে। পরকীয়ায় আস;ক্তি আছে তার। এটা দেখে তার মন ভে;ঙে যায়। তাই তিনি প্রথম স্ত্রীর কাছে চলে যান। বিষয়টি কেন্দ্র করে তার সঙ্গে বিবাদ সৃষ্টি করেন ওই না;রী। এছাড়া একটি অজুহাত বানিয়ে পা;লিয়ে যান। উল্টো মা;মলা করে জসিমকে জেলেও পাঠি;য়েছেন।

গত বছরের ১৫ মে ঢাকার ইব্রাহিমপুর কাজি অফিসে গিয়ে দ্বি;তীয় স্বামীকে তালাক না দিয়ে কুমারী পরিচয়ে বিয়ে করেন ওই নারী। এটি তার তৃতী;য় বিয়ে। দ্বিতীয় স্বামী জসিম ওই কাবিননামা সংগ্রহ করে তা কোর্টে দাখিল করেন। এরপর চলতি বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর বরগুনার সদরের চরকলোনীর কা;জি সাঈদুর রহমানের অফিসে গিয়ে স্বামী জসিমকে তালা;ক দিয়ে ওই দিনই আবার তৃ;তীয় বিয়ের কাবিন করেন।

অভিযুক্ত ওই নারীর কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রথমে তৃতীয় বিয়ের বিষয় অস্বী;কার করেন। পরে তিনি স্বী;কার করে বলেন, জসিমকে চলতি বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর তালা;ক দিয়েছি। আর ৮ অক্টোবর চরকলোনী কাজি অফিসে আরে;কটা বি;য়ে করি। এটি আমার তৃ;তীয় বিয়ে। লতাচাপলী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. আলম ফকির বলেন, ওই মেয়ের শা;শুড়ি লোকজনসহ বাড়িতে গেলে তারা নিজেদের স্বামী-স্ত্রী পরি;চয় দেন এবং কৌ;শলে রাতে এলাকা ছেড়ে পালি;য়ে যান।

Leave a Reply

Your email address will not be published.