ফজরের আজান দেওয়া অবস্থায় মুয়াজ্জিনের ইন্তেকাল

ফজরের নামাজের আজান দেওয়া অবস্থায় আলহাজ হাসানি নামের মিসরী এক বুজুর্গ মুয়াজ্জিন ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রা;জিউন। তার এমন সুন্দর ব্যতিক্রমী অবস্থায় ই;ন্তেকালের বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে বেশ ইতিবাচক আলো;চনার সূত্রপাত হয়েছে।

রাতের শেষ প্রান্তে আকাশে স্পষ্ট হয়ে উঠে আলোর রেখা। ওয়াক্ত হলো ফজর নামা;জের। বয়সী একজন মুয়াজ্জিন মসজিদ পানে ছুটে গেলেন আজা;ন দিতে। মানুষকে সালাত তথা নামাজের দিকে ডাক;তে। কিন্তু মহান আল্লাহর অমো;ঘ নিয়মে আজান দিয়ে নামাজের দিকে আ;হ্বান করার সময়ই নি;ভে গেল তার জীবন প্রদীপ।

এ ঘটনায় অনে;কেই মুয়াজ্জিনের জন্য দোয়া করার পাশাপাশি নিজেদেরও যেন দুনিয়া থেকে এমন ‘খাতেমাহ বিল-খাইর’ তথা উত্ত;ম বি;দায় হয়, সে;জন্য আল্লাহর কাছে প্রা;র্থনা করছেন।

সৌদি আরবের প্র;ভাবশালী গণমাধ্যম আলআরাবিয়া জানিয়েছে, মিসরের আল-মানুফিয়া জেলার আল-বাজাউর এলাকার একটি মসজিদে শুক্র;বার (২৯ অক্টোবর) এমনটি ঘটে। আজা;নের ‘হাইয়া আলাস সালাহ’ তথা ‘নামাজের জন্য এসো’ – এই অং;শটুকু বলা শেষ হওয়ার পর মুয়াজ্জিন আ;লহাজ হাসানির ইন্তেকাল হয়। স্থানী;য়রা জানান, তিনি আদতে অত্য;ন্ত ভাল ও সদাচা;রী একজন মানুষ ছিলেন।

আলহাজ হাসানির ছেলে মা;হমুদ হাসানি জানান, কয়েক বছর যাবত তার বাবা মহল্লার মসজি;দে স্বেচ্ছায় ও বিনাপারি;শ্রমিকে আজান দিচ্ছেন। তিনি নিজে শুধু একজন খা;লেস নামাজী ছিলেন এমন নয় বরং অন্য;দেরকেও নামাজের প্রতি যত্ন;বান হতে দাওয়াত দিতেন।

ইন্তে;কালের দিনের ঘ;টনা বর্ণনা করে মাহমুদ হাসানি বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো শুক্রবার ভোরেও অ;জু করে বাবা মসজিদে যান। তিনি আ;জান শুরু করেছেন, আমরা তাও শুনি। কিন্তু হঠাৎ ‘হাইয়া আলাস সালাহ’ বলার পরে আর কোন আও;য়াজ শোনা যায়নি। আমরা দৌড়ে মসজি;দে গেলাম একথা জানতে যে, আজান কেনো পূ;র্ণ করা হলো না। কিন্তু আমরা ম;সজিদে প্রবেশ করে দেখতে পাই, বাবা মসজি;দের মেঝেতে কিবলামুখী হয়ে পড়ে আছেন। বুঝতে পারি – তিনি আর পৃথি;বীতে নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published.