ভাবির সঙ্গে প;রকীয়া, স্ত্রীর মামলায় কারা;গারে প্রিন্স

ভাবির সঙ্গে প;রকীয়ার অভিযোগে স্ত্রীর করা মামলায় স্বামী খালেক উজ জামান প্রি;ন্সকে কারাগারে পাঠিয়েছে শরীয়তপুরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।সোমবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শামসুল আলমের আদালতে আত্ম;সমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন প্রিন্স। শুনানি শেষে জামিন নাম;ঞ্জুর করে কা;রাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

সাজাপ্রাপ্ত খালেক উজ জামান প্রিন্স যশোরের পুরা;তন কশবা এলাকার মোজাম্মেল হকের ছেলে। তিনি এ মামলায় গ্রেফ;তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি ছিলেন। একই মামলার আরো দুই আসামি র;ফিকুজ্জামান ও খুরশিদা আক্তার দুলারি পলাতক।

জানা গেছে, ২ বছর আগে বিয়ে করেন প্রিন্স। বি;য়ের আগে থেকেই বড় ভা;ইয়ের স্ত্রী খুরশিদা আক্তার দুলারির সঙ্গে প্রি;ন্সের পরকী;য়া প্রেম ছিল। বিয়ের পর সে সম্পর্ক আরো গভী;র হয়। এক পর্যায়ে স্বামী ও জা’র অ;বৈধ সম্পর্ক নজরে পড়লে প্রিন্সের স্ত্রী বি;ষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানান। এতে ক্ষি;প্ত হয়ে তার ওপর মা;নসিক ও শা;রীরিক নির্যাতন চালাতে শুরু করেন দুলারি ও প্রিন্স। এক পর্যায়ে দু;লারির প্ররো;চনায় স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি করেন প্রিন্স। যৌতুক না দেওয়ায় বাড়ে নির্যা;তনের মাত্রা। সী;মাহীন অত্যা;চার সহ্য করতে না পেরে আদালতের আশ্রয় নেন প্রি;ন্সের স্ত্রী।

প্রিন্সের স্ত্রী বলেন, আমার স্বামী ও দুলা;রি সহপাঠী ছিলেন। তাদের মধ্যে প্রে;মের সম্পর্কও ছিল। পরবর্তীতে আমার ভা;সুর রফিকুজ্জামানের সঙ্গে দুলা;রির বিয়ে হয়। বিয়ের পর পরকী;য়ায় জড়িয়ে পড়েন প্রিন্স ও দুলারি। আমাদের বিয়ে মেনে নিতে না পেরে কিছুদিন পর নিজেদের পর;কীয়ার কথা আমার কাছে ও নিজের স্বামীর কাছে জানিয়ে দেন দুলারি। পরে বিষয়টি দুই পরিবারে জানা;জানি হওয়ায় ক্ষি;প্ত হয়ে প্রিন্স-দুলারি পরি;কল্পিতভাবে আমার ওপর নি;র্যাতন চালায়। আমি নি;র্যাতন সহ্য করতে না পেরে মা;মলা করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *