মাংস কম দিয়েছে, তাই ভেঙে গেল বিয়ে

চুয়াডাঙ্গায় বিয়ে বাড়িতে মাংস বেশি চাওয়া নিয়ে বরপক্ষের সাথে ঝগড়ায় তিনজনকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। এমনই এক অভিযোগ উঠেছে কনেপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে।

গত রোববার ঘটনাটি ঘটেছে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বদরগঞ্জ দশমী এলাকায়। পরে সন্ধ্যার দিকে আহতদের সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। এ ঘটনার পর রাতে বিয়ে বিচ্ছেদ হয় ওই দম্পতির। তবে পুরো বিষয়টি সোমবার জানাজানি হয়।

কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আহম্মেদ হাসানুজ্জামান জানান, দুই বছর আগে মুঠোফোনে দশমী গ্রামের রহিম আলীর সৌদি প্রবাসী ছেলে সবুজ আলীর সঙ্গে তার একই গ্রামের নজরুল ইসলামের মেয়ে সুমি খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর সুমি বাবার বাড়িতে থাকতেন।

সম্প্রতি দেশে ফেরেন সেই সবুজ। রোববার সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে নববধূকে তুলে নেয়ার কথা ছিল। দুপুর পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। বিপত্তিটা বাধে খাবার সরবরাহের সময়। শেষ মুহূর্তে বরপক্ষের লোকজন আরো মাংস চাইলে এ নিয়ে দুই পক্ষের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়েই পড়েন তারা।

বরপক্ষের লোকজন অভিযোগ করেন, মাংস চাওয়ায় তাদের ওপর লাঠি নিয়ে চড়াও হন কনেপক্ষের লোকজন। এই ঘটনায় আহত হন তিনজন। আহতরা হলেন- চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের আলমগীর আলী ছেলে শাহ জামাল, একই এলাকার গোলাম রা;ব্বানীর ছেলে ফারুক হোসেন ও আব্দুর রহিমের ছেলে আসমান আলী।

এর মধ্যে ফারুক ও আসমান প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরলেও শাহ জামা;লকে ভর্তি রাখা হয়। পরে তাকে ছাড়পত্র দেন চিকিৎসকরা। কনে প;ক্ষের লোকজন জা;নান, ভাত না খেয়ে কেবল মাংস চাচ্ছিল বরপক্ষের লোকজন। তা নিয়ে দুই পক্ষের কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সং;ঘর্ষ হয়। পরে রোববার রাতে দুই পক্ষের সম;ঝোতায় ভিত্তিতে বিয়ে বি;চ্ছেদের সিদ্ধান্ত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.