মাদারীপুরে দী;র্ঘদিন ধরে চলছে মা ও ছেলের র;মরমা মা;নবপা;চার

ছেলে থাকে বিদে;শে, মা দেশে বসে সহযোগিতা করে। মাদারীপুরে দীর্ঘ;দিন ধরে চলছে মা ও ছেলের রমরমা মানবপাচার ব্যবসা। এরই মধ্যে তাদের কাছে প্রতা;রিত হয়েছেন অনেকে। প্রতারণার শিকাররা অ;বর্ণনীয় দুর্ভো;গ পোহাচ্ছেন লিবিয়াসহ কয়েকটি দেশে।

একাধিক ভু;ক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মাদারীপুর সদর উপজেলার কা;লিকাপুর ইউনিয়নের চরনাচনা গ্রামের বা;রেক ফকিরের ছেলে মিজান ফকির প্রায় চার বছর ধরে লিবিয়া;য় বসবাস করছে। সে নিজ এলাকায় দালাল হিসেবে পরিচিত। বিদেশে যাওয়ার পর থেকেই মা;নবপা;চার শুরু করে মিজান। দেশে বসে তাকে এ কাজে সহযোগি;তা করে মা রিজিয়া বেগম।

আরো জানা গেছে, এ পর্যন্ত মা-ছে;লের মাধ্যমে প্রায় অর্ধশত যুবক লিবিয়ায় গেছে। তাদের মধ্যে অ;নেককেই নৌপথে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে পোহাতে হয়েছে অবর্ণ;নীয় দু;র্ভোগ। অনেকে বন্দি হয়েছে আ;ইনশৃঙ্খলা রক্ষাকা;রী বাহিনীর হাতে। চরনাচনা গ্রামের সানোয়ার পুস্তি, নাজমুল পুস্তি, রোমান পু;স্তিসহ অন্তত ১০ জনের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। মা-ছেলের ফাঁ;দে পা দিয়ে তারা হা;রিয়েছেন সহায়-সম্বল।

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে- মিজান ফ;কিরের মা রিজিয়া বেগম গ্রাম থেকে বিদেশ যেতে ইচ্ছু;ক লোক খুঁজে বের করেন। এরপর ফাঁ;দে ফেলে প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫-৬ লাখ টাকা নেন। পরবর্তীতে তাদের পা;সপোর্ট ও টাকা পাঠিয়ে দেন লিবিয়ায় ছেলে মি;জানের কাছে। মিজান সুযোগ বুঝে লিবিয়া নিয়ে যান। সেখান থেকে স্পিড;বোটে চড়ে ইতালির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। গভীর সমুদ্রে অনেকেই কো;স্ট গার্ডের হাতে ধরা পড়ে আবার লিবিয়ায় ফে;রত আসেন। এরপর আবার তাদের কাছে টাকা দাবি করেন মিজান। টাকা না পেলে ভুক্ত;ভোগীদের করা হয় অক;থ্য নি;র্যাতন। নি;র্যাতন থেকে বাঁচতে জায়গা-জমি, সহায়-সম্বল বিক্রি করে টাকা দেয় তাদের পরিবার। এভাবেই প্রতা;রণার জাল বিছিয়ে মা;নবপাচার করছে মা-ছেলে।

সদর উপজেলার কালিকাপুরের হবি খালাসির ছেলে আ;সাদ খালাসি। মিজান ফকির ও তার মায়ের মাধ্যমে লি;বিয়ায় গিয়েছিলেন। সেখান থেকে অন্য দেশে যাওয়ার পথে তিউ;নিসিয়ায় আট;কা পড়েন। বর্তমানে তিউনিসিয়ায় দালাল চ;ক্রের হাতে বন্দি আসাদ। তার বাবা হবি খালাসি বলেন, মিজান ফকি;রের মা ১০ মাস আগে আমার ছেলেকে লিবি;য়া হয়ে ইতালি পাঠানোর জন্য ৬ লাখ টাকা নেয়। সব টাকা দিয়েই লি;বিয়ায় যায় আসাদ। কিন্তু সেখানে থেকে স্পিডবোটে ইতালি যাওয়ার সময় কোস্ট গা;র্ডের হাতে ধরা পড়ে। এরপর তাকে আবার তিউ;নিসিয়ায় ফেরত পাঠানো হয়। বর্তমানে আমার ছেলে সেখানে একটি চ;ক্রের হাতে আটক। কবে সে ইতালি যেতে পারবে জানি না।

অভিযুক্ত মিজান ফকিরের মা রি;জিয়া বেগম বলেন, আমাদের বি;রুদ্ধে ওঠা সব অ;ভিযোগ মিথ্যা। আমরা দালালি করি না। যারা লিবিয়ায় আছে- তাদের থাকা-খাওয়ার সুবিধার জন্যই পরিবারের কাছ থেকে বাড়তি টাকা নেয়া হয়। আমরা কাউকে ঠকা;ইনি। মাদারীপুরের পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল বলেন, আমরা মানবপাচার রোধে ক;ঠোর অবস্থানে রয়েছি। কোনো ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ করলে তাৎক্ষণিক পদক্ষে;প নেয়া হয়। কেউ কা;লিকাপুরের ওই মা-ছেলের বি;রুদ্ধে অভিযো;গ দিলেও ক;ঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.