Breaking News

রাসূল (সা.) এর ইশা;রায় দ্বিখণ্ডিত চাঁদ

আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মাদ (সা.) এর মো;জেযার প্রকাশ হিসেবে তাঁর আ;ঙ্গুলের ইশারায় পূর্ণ চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়েছিল। অলৌ;কিক এ মোজেযার ঘট;নাটি ঘটেছিল আরবি হিজরি সনের ১৪ জিলহজ তারিখে।

আবু জাহলের নেতৃ;ত্বে একদল মূ;র্তিপূজা;রী ও ই;হুদি জানায় যে, মুহাম্মাদ (সা.) যে আল্লাহর রাসূল তা তারা মেনে নেবে যদি তিনি চাঁ;দকে দ্বি;খণ্ডিত করে দেখাতে পারেন। তখন রাসূল (সা.) আল্লাহর কাছে দোয়া করে আঙ্গুলের ইশারা করলে ওই অলৌ;কিক ঘটনাটি ঘটে।

পবিত্র কোরআনের সূরা আল-কা;মারের প্রথম তিন আয়াতে এ সম্পর্কে বলা হয়েছে, اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانشَقَّ الْقَمَرُ
‘কেয়ামত আসন্ন, চন্দ্র বিদীর্ণ হয়েছে’। وَإِن يَرَوْا آيَةً يُعْرِضُوا وَيَقُولُوا سِحْرٌ مُّسْتَمِرٌّ
‘তারা যদি কোনো নিদর্শন দেখে তবে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে, এটা তো চিরা;চরিত জাদু’। وَكَذَّبُوا وَاتَّبَعُوا أَهْوَاءهُمْ وَكُلُّ أَمْرٍ مُّسْتَقِرٌّ
‘তারা মি;থ্যারোপ করছে এবং নিজেদের খেয়াল-খুশির অনুসরণ করছে। প্রত্যেক কাজ যথা;সময়ে স্থি;রীকৃত হয়’। (সূরা: আল কামার, আয়াত: ১-৩)

ওই আরব মুশরি;করা এই মো;জেজা অস্বী;কার করে একে জাদু বলে অ;ভিহিত করে। কিন্তু উপস্থিত ই;হুদিরা চাঁদ দুই ভাগ হওয়ার ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই ইস;লাম ধর্ম গ্রহণ করে। কারণ, ওই ইহুদিরা তাওরাতে পড়েছিল যে হজরত মূসা (আ.) এর উত্তরসূরি হজরত ইউশা (আ.) এর জন্য মহান আল্লাহ চাঁদ ও সূর্যকে স্থির করে রেখে;ছিলেন।

রাসূল (সা.) চাঁদকে এত স্পষ্ট;ভাবে দুই টুকরা করেন যে ওই দুই টুকরা;র ব্যবধানের মধ্যে হেরা পর্বত দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু আবু জাহল বলে ওঠে, ‘তিনি নজ;রবন্দি করেছেন। যেসব লোক বিদেশে গেছে তারা ফিরে এসে সমর্থন জানালে তখন বুঝব।’ বিদেশ থেকে আসা লোকে;রা দেশে ফিরে এসে এ ঘটনার সত্যতাকে সমর্থ;ন করলেও আবু জাহল বলে, ‘তিনি গোটা পৃথিবীর সব লোককে নজ;রবন্দী করেছেন।’

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে অব;স্থিত মালাবার রাজ্যের (বর্তমান কেরালা অঞ্চল) ততকালীন রাজা চক্র;বর্তী ফারমাস (চেরামান পিরুমেল) আকাশে চাঁদ দুই টুকরো হয়ে যা;ওয়ার ওই অলৌকিক ঘটনাটি স্বচক্ষে দেখে;ছিলেন। যখন তিনি জানতে পারেন যে আরব দেশে শেষ নবীর আবি;র্ভাব ঘটেছে ও রাসূল (সা.)-ই চাঁদ দ্বিখণ্ডিত করেছেন, তখন তিনি মক্কা;য় গিয়ে ইসলা;ম ধর্ম গ্রহণ করেন। ভারতের ইতিহাস গ্রন্থ ‘তারিখে ফেরেশতা’য় ওই ঘটনা উল্লেখিত হয়েছে। চেরামানের নামে ভার;তের কেরালা রাজ্যে একটি মসজিদ প্রতিষ্ঠি;ত হয়েছে।

মার্কিন মহাশূন্য গবেষ;ণা সংস্থা নাসার নভোচারীদের মাধ্যমে তোলা ছবিতেও চাঁদের মধ্যে গভীর ফাট;লের চিহ্ন বা দাগ দেখা গেছে এবং এ থেকে স্প;ষ্ট হয়, কোনো এক সময় চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়েছিল।

১৯৬৯ সালে এ্যাপোলো -১১ নামের একটি মার্কিন মহাকাশযানে মানুষ সর্বপ্রথম চাঁদে অব;তরন করে। এর আগেও চাঁদ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণার জন্য এ্যাপোলো-১০ নামের রকেট চাঁদে পাঠানো হয় চাঁদের সর্বাধিক ছবি তুলে আ;নার জন্য। ওই সময়ে চাঁদের যেই ছবি এলো, এতে দেখা যায় চাঁদের বুকচিরে একটি ফাঁটল বিদ্যমান। ফাঁট;লটি লম্বায় ২০০ (কি:মি:) এর ও বেশি এবং চওড়ায় ৩ (কি:মি:)
বিজ্ঞা;নীগণ এর নাম দিয়েছেন ‘হাইজিনাস রিলী’।

চাঁদ দিখন্ডিত হওয়ার বিষয়টি সহিহ হাদি;সেও রয়েছে। আল্লামা ইবনে কাসীর রহমতুল্লাহি আলাইহি এ সম্পর্কিত হাদিস শরিফকে মুতাওয়া;তির বলেছেন। (তাফসীরে ইবনে কাসীর ৪/২৭৬)।

(১) হজরত আবদুল্লাহ ইব;নে মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, আমরা মিনা;য় নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি চন্দ্রকে দিখ;ন্ডিত করলেন এবং এক খন্ড পা;হাড়ের পশ্চাতে চলে গেল ও এক খন্ড পাহাড়ের উপরে রইল। তখন রাসূল সাল্লা;ল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা সাক্ষী থেকো। (সহীহ বুখারী শরিফ ১/৫৪৬; সহিহ মুসলিম শরিফ ২/৩৭৩)।

(২) হজরত আনাস ইবনে মালেক রাদ্বি;য়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন, মক্কা শরিফ বাসীরা রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসা;ল্লাম এর কাছে (নবুওয়্যাতের) কোনো নিদ;র্শন দেখতে চাইল। তখন রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মহান আল্লাহ তায়ালা উনার হুকু;মে চন্দ্রকে দি;খন্ডিত করে দেখিয়ে দিলেন। তারা (সাহাবায়ের কেরাম ও কাফেররা) দেখতে পেল যে, চাঁদের দুই খন্ড হেরা পাহাড়ে;র দুই পার্শ্বে চলে গিয়েছে।

মহান রাব্বুল আ;লামিন আল্লাহ পাক; আপনি আমাদের সবাইকে সঠিক ঈমান অর্জন করার ক্ষ;মতা দিন, আমা;দেরকে ক্ষমা করুন এবং জাহা;ন্নাম থেকে র;ক্ষা করুন। আমিন।

About admin

Check Also

সুখ খুঁজ;তে গিয়ে ইস;লাম খুঁজে পেয়ে;ছি মেলানিয়া জর্জিয়াস

মেলা;নিয়া জর্জিয়াস তাঁর পুরো নাম। ডি;য়ামস নামেই অত্যধিক পরিচিত। ছিলেন ফ্রা;ন্সের প্রথম র‍্যাপ গায়িকা। ১৯৯৯ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *